অন্ধকার রাতে ঘরের কোণে ছায়া নড়ে ওঠে,
গলা শুকিয়ে আসে, বুকের ভেতর ভয় ছোটে।
জানালায় বাতাসের ঝাপটায় কাঁপে কাঁচের ঘর,
মনে হয় কেউ যেন দাঁড়িয়ে আছে অতি পর।
​পুরানো দেয়ালঘড়ি টিকটিক শব্দে দেয় ডাক,
অজানা আশঙ্কায় জমে ওঠে মনের শাঁক।
শব্দহীন পদচারণায় মেঝের ওপর পড়ে টান,
নিস্তব্ধতার মাঝে ভয়ে কাঁপছে আমার প্রাণ।
​হঠাৎ করেই বাতিটা নিভে গিয়ে হলো আঁধার,
নিজেরই নিঃশ্বাস শোনা যায়—ভয় লাগছে অপার।
কোথাও কি কেউ আছে? নাকি মনেরই ভ্রম?
ভয়ের চোটে আজ হারিয়ে ফেলেছি পরম দম।
​বন্ধ দরজার ওপারে কি ছায়া দিচ্ছে পাহারা?
একলা ঘরে নিজেকে মনে হয় বড়ই সাহারা হারা।
কাঁপছে আঙুল, ভয়ে চোখ বুঁজে থাকি পড়ে,
অশরীরী এক আতঙ্ক আজ আমায় দিচ্ছে জড়ে।